elektronik sigara

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেড়িয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা দা.বা. এর কিতাব অনলাইনের মাধ্যমে কিনতে চাইলে ভিজিট করুনঃ www.maktabatunnoor.com

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

ব্যবসা-বাণিজ্য মানব জীবনের প্রয়োজনীয় এক অধ্যায়। জীবনের বহুবিধ প্রয়োজনের সব কিছুই একজনের পক্ষে নিজে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। বিধায় পরস্পরের প্রয়োজন পূরণের তাগিদেই ব্যবসার পথে অগ্রসর হতে হয়। বস্তুত ব্যবসা-বাণিজ্য জীবন-জীবিকা লাভের অন্যতম এক উপায়। মহান আল্লাহ তা‘আলা এর গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য নামায সমাপনান্তে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়তে মুমিনদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। (সূরা জুম‘আঃ১০)

রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেমন নিজে ব্যবসা করেছেন, তেমন এর গুরুত্ব বুঝাতে ইরশাদ করেছেনঃ সত্যবাদী, বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীরা ক্বিয়ামতের দিন নবী, সিদ্দীক ও শহীদগণের সঙ্গে থাকবে। (তিরমিযী হাঃ নং ১২০৯)

তবে ইসলাম ব্যবসা বাণিজ্যের ভিত্তি রেখেছে পারস্পরিক সহযোগীতার উপর। তাই প্রত্যেক মুসলমানের মধ্যে এ ধরনের মন-মানসিকতা থাকা একান্ত জরুরী। তাহলেই এ সম্পর্কিত বিধি-বিধান এবং নীতিমালা মেনে নেওয়া সহজ হয়।

সাথে সাথে আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখা দরকার যে, নামায, রোযা, হজ্ব যাকাত ইত্যাদি বিষয়ের বিধি-বিধান জেনে নেয়া যেমন ফরয, তেমন মাসআলা-মাসাইল জেনে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করাও আবশ্যক। এ ফরযের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করলে হারাম এবং সূদী কারবারে জড়িত হয়ে যাওয়ার সমূহ আশংকা থাকে। যেমনটি বর্তমানে বিভিন্ন ইসলামী অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানেও দেখা যায়। অথচ কুরআন-হাদীসে সুদখোর ব্যক্তির ব্যাপারে অনেক ধমকী এবং শাস্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। (সূরা বাকারাঃ ২৭৯) এজন্য এ বিষয়ে যত্নবান হওয়া একান্ত জরুরী।

বেচা-কেনার সংজ্ঞা: বেচা-কেনা, ক্রয়-বিক্রয়, ব্যবসা ও তিজারত এগুলো সমার্থক শব্দ। সাধারণ অর্থে লাভের আশায় বৈধ পণ্যের লেন-দেনকে ব্যবসা ও তিজারত বলা হয়। যেমন ফিক্‌হের কিতাবে বলা হয়েছে, مُبَادَلَةُ الْمَالِ بِالْمَالِ بِالتَّرَاضِي বাণিজ্যিক ভিত্তিতে দুই পক্ষের পূর্ণ সম্মতিক্রমে মুদ্রা কিংবা বৈধ পণ্যের বিনিময়ে বৈধ পণ্যের হস্তান্তরকে ইসলামী শরী‘আতে বেচা-কেনা বলে। হিদায়া-টিকাঃ ৩/১৮

সুতরাং বেচা-কেনা শরীয়ত সম্মত উপায়ে সংঘটিত হওয়ার জন্য মোট ৩টি জিনিষ পাওয়া যেতে হবে।

১. বৈধ মাল হতে হবেঃ মাল না হলে তা বিক্রি করা বা খরীদ করা জায়িয হবে না। যেমনঃ শুকর, রক্ত, মদ, গান-বাদ্যের যন্ত্র, সিনেমার বা নৃত্য অনুষ্ঠানের টিকেট ইত্যাদি। এগুলো শরী‘আতের দৃষ্টিতে মাল নয়, তাই এগুলোর ক্রয়-বিক্রয় হারাম।

২. পণ্যের মূল্য নির্ধারিত হতে হবেঃ দোকানদার ক্রেতাকে বললোঃ এটা নগদ নিলে এত দাম, আর বাকী নিলে এত দাম। এখন যদি ক্রেতা শুধু বলেঃ ঠিক আছে। কিন্তু উভয়টির কোনটা নির্দিষ্ট করল না। তাহলে এ বেচা-কেনা জায়িয হবে না। বরং এটা সূদী কারবারের অন্তর্ভুক্ত হবে।

৩. উভয় পক্ষ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি পাওয়া যেতে হবেঃ অনেকে গায়ের জোরে নির্ধারিত মূল্য থেকে কম মূল্যে জিনিষ ক্রয় করে। এটা হালাল হবে না। অনেক সময় একতরফা মূল্য নির্ধারিত করা হয়। যার প্রতি অন্য পক্ষের সম্মতি থাকে না। এটাও জায়িয নেই।

বেচা-কেনার প্রকারভেদ

বেচা-কেনা মোট চার প্রকার। যথাঃ

১. পণ্যের বিনিময়ে পণ্য (বাইয়ে মুকায়াযাহ)

২. মুদ্রার বিনিময়ে পণ্য (সাধারণ বিক্রি)

৩. মুদ্রার বিনিময়ে মুদ্রা (বাইয়ে সরফ)

৪. নগদ মুদ্রার বিনিময়ে বাকী পণ্য ত্রয় (বাইয়ে সালাম)

শরই হুকুমঃ প্রথম প্রকারে যদি উভয়টির (جنس) তথা জাত এবং (قدر) তথা পরিমাপ পদ্ধতির দিক দিয়ে এক হয়। যেমনঃ ধানের বিনিময়ে ধান বিক্রি করা-তাহলে নগদা-নগদী বিক্রি করতে হবে। এবং উভয়ের মধ্যে পরিমাণের দিক দিয়ে সমতা রক্ষা করতে হবে। নতুবা জায়িয হবে না। আর যদি উভয় দিক দিয়ে ভিন্ন হয় অর্থাৎ, উভয়টির জাত ভিন্ন এবং পরিমাপ পদ্ধতিও ভিন্ন হয় যেমনঃ ধানের বিনিময়ে পাট বিক্রি করা-তাহলে পরিমাণে কম-বেশী করে বেচাও জায়িয হবে। এবং বাকীতে বেচাও জায়িয হবে। আর যদি উভয় দিকের এক দিক দিয়ে ভিন্ন হয় অপর দিক দিয়ে এক হয়- যেমনঃ ধান এবং গম উভয়টির জাত ভিন্ন কিন্তু পরিমাপ পদ্ধতি অভিন্ন- তাহলে কম-বেশীতে বিক্রি জায়িয হবে। কিন্তু বাকিতে বিক্রি করা জায়িয হবে না।

আর দ্বিতীয় প্রকারে (সাধারণ বিক্রিতে) নগদ-বাকী উভয় ভাবেই বিক্রি জায়িয। তৃতীয় প্রকারে (মুদ্রার বিনিময়ে মুদ্রার বিক্রয়) উভয়টি এক দেশী হলে কম-বেশী এবং বাকী কোনটিই জায়িয নেই। (হিদায়াঃ৩/৭৯)

আর চতুর্থ প্রকারে তথা বাইয়ে সালাম শুদ্ধ হওয়ার জন্য কতগুলো শর্ত আছে। যেমনঃ

ক. নগদ কত টাকার বিনিময়ে কি পণ্য দেয়া হবে তার জাত নির্ণয় করা।

খ. উক্ত পণ্যের প্রকার বা ধরণ বর্ণনা করা।

গ. গুণাগুণ বর্ণনা করা। অর্থাৎ, উন্নত মানের না মাঝারী ধরনের কিংবা নিম্ন মানের পণ্য হবে তা বর্ণনা করা।

ঘ.মালের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা।

ঙ. পণ্য কোন দিন, কোন সময়, কোথায় হস্তান্তর করা হবে তা নির্দিষ্ট করা।

চ. যে পণ্যে বাইয়ে সালাম হবে সে মালটি লেন-দেনের দিন থেকে পরিশোধের দিন পর্যন্ত বাজারে মজুদ থাকা।

উল্লেখিত শর্তগুলো পাওয়া গেলে বাইয়ে সালাম জায়িয হবে। অন্যথায় নয় এবং এই শর্তগুলো চুক্তিনামার মধ্যে লিখিত থাকতে হবে। (হিদায়াঃ৩/৯৫)

বেচা-কেনার মূলনীতি

১. লেন-দেন কারীদের মাঝে অবশ্যেই লেন-দেনের যোগ্যতা থাকতে হবে। অর্থাৎ, তাদেরকে প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক না হলেও লেন-দেনের বুঝ রাখে এমন সুস্থ মস্তিস্ক, স্বাধীন ব্যক্তি হতে হবে। (দুররে মুখতারঃ৪/৫০৪)

২. ক্রয়-বিক্রিয়ের জন্য নির্বাচিত পণ্যের মাঝে অবশ্যেই পণ্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। পণ্য হওয়ার যোগ্য না হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমনঃ

ক. দ্রব্যটি বেশী সম্মানিত হওয়া, যেমনঃ মানুষ এবং তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।

খ. বেশী ঘৃণ্য হওয়া। যেমন শুকর ইত্যাদি।

গ. শরীয়ত কর্তৃক তার ভোগ ব্যবহার হারাম হওয়া। যেমনঃ শরাব, মাদক দ্রব্য, মৃত প্রাণী ইত্যাদি। (দুররে মুখতারঃ ৪/৫০৬)

৩. পণ্য হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে। সুতরাং আকাশে উড়ন্ত পাখি বিক্রি করা এবং নদী বা পুকুরের পানির ভিতরে মাছ বিক্রি করা জায়িয নেই। (হিদায়াঃ ৩/৫১)

৪. বিক্রেতার নিকট পণ্য উপস্থিত থাকতে হবে। সুতরাং বর্তমানে যে বিদেশ থেকে মাল আমদানি করে তা আনার আগেই উক্ত মালের ডকুমেন্ট বিক্রি করে দেয় এবং ক্রেতা আবার আরেক জনের নিকট বিক্রি করে দেয়। এভাবে মাল আসার আগেই কয়েকবার বিক্রি হয়ে যায় এটা জায়িয নেই। (হিদায়াঃ ৩/৫১)

৫. পণ্যের উপর বিক্রেতার মালিকানা থাকতে হবে। (হিদায়াঃ ৩/৫১)

৬. উক্ত মাল হারাম উদ্দেশ্যের জন্য নির্দিষ্ট না হতে হবে। যেমনঃ টি ভি, ভি সি আর, বাদ্যযন্ত্র ইত্যাদি। (হেদায়াঃ ৪/৫৪)

৭. মালের মূল্য নির্ধারিত হতে হবে। মূল্য অস্পষ্ট থাকলে বেচা-কেনা বৈধ হবে না। যেমন বললোঃ এ মালটা নিয়ে যান ইনসাফ করে দাম দিয়ে দিবেন। কেননা এ ধরনের অস্পষ্টতা পরিণামে আত্ম-কলহ ও ঝগড়া-বিবাদের কারণ হয়। (হিদায়াঃ৩/৫৪)

৮. বেচা-কেনার চুক্তিতে এমন কোন শর্ত জুড়ে দেওয়া যাবে না যা উক্ত পণ্যের বেচা-কেনার চুক্তির সাথে স্বাভাবিকভাবে সংশ্লিষ্ট নয়। যেমনঃ বর্তমানে “মাল্টিলেভেল মার্কেটিং” ব্যবসার মধ্যে দালালী শর্ত করা হয়। অথবা বলা হল যে, বাড়িটি বিক্রি করলাম কিন্তু এক মাস আমাকে থাকতে দিতে হবে। কিংবা বলা হল যে, আমাদের থেকে এত টাকার মাল কিনতে হবে। এবং আরো দুজন গ্রাহক সংগ্রহ করতে হবে। (হিদায়াঃ৩/৫৯)

৯. এমন কোন চুক্তি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ নয় যেখানে এক পক্ষের নিশ্চিত লাভের ও অপর পক্ষের নিশ্চিত ক্ষতির শর্ত সংশ্লিষ্ট থাকে। যেমনঃ জুয়া, হাজী, লটারী ইত্যাদি। (হিদায়াঃ ৩/৫৪)

১০. বেচা-কেনায় কোনরূপ ধোঁকা, প্রতারণা, জালিয়াতী, ফটকাবাজী ও ভেজাল থাকতে পারবে না এবং এমন কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে না যার দ্বারা সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। (হিদায়াঃ৩/৫২)

১১. যে মাল জমা রাখলে জনগণের কষ্ট হয় তা জমা রাখা জায়িয নেই। শরীয়াতের পরিভাষায় একে ইহতেকার বা মুজুতদারী বলে। (হিদায়াঃ৪/৪৬৮)

এছাড়াও আরো অনেক নীতিগত বিষয় আছে যা বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম থেকে জেনে নেওয়া আবশ্যক। উল্লেখিত নীতিমালার আলোকে ব্যবসার নামে অবাধ শোষণ, অন্যায় আত্মসাৎ, দ্রব্যে ভেজাল, মাপে কম দেয়া, ধোঁকা-প্রতারণার মাধ্যমে অধিক মুনাফা অর্জন, মুজুতদারী ও কালো বাজারীর মাধ্যমে বাড়তি মূল্য আদায় বা পর্যাপ্ত মাল থাকা সত্ত্বেও তা আটকে রেখে বাজার মূল্য বৃদ্ধি করা, কিংবা কাউকে বেকায়দায় ফেলে ক্রয়-বিক্রয়ে বাধ্য করা, অথবা কারো বিপদের সুযোগে তার থেকে অধিক হারে লাভবান হওয়ার মানসে ক্রয় বিক্রয় করা, পণ্যের উপর এক চেটিয়া দখল সৃষ্টি করে বাড়তি মূল্যে বিক্রি করা ইত্যাদি ধরনের বেচা-কেনা শরী‘আতের দৃষ্টিতে নাজায়িয এবং অবৈধ ও হারাম। এবং এর দ্বারা উপার্জিত অর্থ হালাল নয়। এধরনের অর্থ দ্বারা হজ্ব ও উমরা করা, মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণ করা এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করার দ্বারা উক্ত হারাম পয়সার দায় থেকে আল্লাহর দরবারে রেহাই পাওয়া যাবে না। বরং এর জন্য হ্ক্কানী মুফতীদের নিকট থেকে শরী‘আতের বিধান জেনে সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এবং খালিস দিলে তাওবা-ইস্তিগফার করলে আল্লাহ তা‘আলার আযাব থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা করা যায়।

বেচা-কেনার প্রচলিত কয়েকটি সূরত এবং তার শরই বিধান

১. বীজ ধানের বিক্রিঃ আমাদের সমাজে সাধারণ ধান দিয়ে বীজ ধান নেওয়া হয় কমবেশী করে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এটা নাজায়িয। এর থেকে বাঁচার উপায় হলঃ প্রথমে টাকা দিয়ে বীজ ধান কিনবে। এরপর বীজ ধানের বিক্রেতা ঐ টাকা দিয়ে সাধারণ ধান কিনবে। (হিদায়াঃ৩/১০৪)

২. আর একটা ব্যবসা হল টাকা পয়সার বেচা-কেনা, টাকা ভাঙ্গানো, ছেড়া টাকা দিয়ে ভাল টাকা নেওয়া। এগুলোকে বাইউস্‌ সরফ বলে। এখানে সাধারণভাবে কমবেশী করা জায়িয নেই। এবং কোন পক্ষ বাকী রেখে লেন-দেন করাও জায়িয নেই। প্রয়োজনে করজ নেয়া যাবে। উদাহরণ স্বরূপ ৫০০ টাকার খুচরা করার প্রয়োজন। কিন্তু অপর পক্ষের নিকট ঐ পরিমাণ নিবে না। বরং ৩০০ টাকার খুচরা আছে। তখন খুচরা হিসাবে ৩০০ টাকা রাখবে। পরে এক সময় ঐ ৩০০ টাকার করজ পরিশোধ করে আমানতের ৫০০ টাকা নিয়ে আসবে। (হিদায়াঃ৩/১০৪)

৩. গ্রাম থেকে আগত ব্যক্তির কাছ থেকে কম দামে মাল ক্রয় করে শহরের লোকদের নিকট অতিবেশী দামে বিক্রি করা। এর দরুন যদি গ্রামের বিক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথবা শহরের লোকদের কষ্ট হয়। এটাও নাজায়িয। (হিদায়াঃ৩/৬৭)

৪. শহরের ব্যবসায়ী গ্রামের ব্যবসায়ীর দালাল হয়ে তার মাল শহরের লোকদের নিকট বেশী দামে বিক্রি করা। এটাও নাজায়িয। (হিদায়াঃ ৩/৬৭)