elektronik sigara

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা এর লিখিত সকল কিতাব পাওয়ার জন্য ক্লিক করুন

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর সমস্ত কিতাব, বয়ান, প্রবন্ধ, মালফুযাত পেতে   ইসলামী যিন্দেগী  App টি সংগ্রহ করুন।

প্রতিদিন আমল করার জন্য “দৈনন্দিন আমল ও দু‘আসমূহ” নামক একটি গুরত্বপূর্ণ কিতাব আপলোড করা হয়েছে।

ইনশাআল্লাহ জামি‘আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় দাওয়াতুল হকের মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

সুখবর! সুখবর!! সুখবর!!! হযরতওয়ালা দা.বা. এর গুরত্বপূর্ণ ২ টি নতুন কিতাব বেরিয়েছে। “নবীজীর (সা.) নামায” এবং “খ্রিষ্টধর্ম কিছু জিজ্ঞাসা ও পর্যালোচনা”।  আজই সংগ্রহ করুন।

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দা.বা. এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.darsemansoor.com এ ভিজিট করুন।

আল্লাহর দরবারে মাসের যে হিসাব গ্রহণযোগ্য, যে হিসাব আল্লাহ আসমান-জমীন তৈরী করার আগেই করেছেন আর তা হলো এই চন্দ্র মাসের হিসাব। প্রথমে আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন বড় বড় কিছু মাখলুক সৃষ্টি করলেন ছয় দিনে। কুরআনে যে “সিত্যাতে আইয়্যাম” বলা হয়েছে তা হলো আখেরাতের ছয় দিন। ঐ ছয় দিনে চাঁদ-সূর্য সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এর আগে চাঁদ-সূর্য কিছুই সৃষ্টি হয় নি। তাই বুঝা যায় যে আল্লাহ কুরআনে যে ছয় দিনের কথা উল্লেখ করেছেন তা আখেরাতের ছয় দিন। অর্থাৎ এক দিন দুনিয়ার এক হাজার বছরের সমান। এরপর আবার সাত দিনে মৌলিক সৃষ্টির মধ্যে আরো কিছু বিস্তারিত মাখলুক সৃষ্টি করলেন। মুসলিম শরীফে তা উল্লেখ আছে। পরবর্তী সাতদিনে চাঁদ-সূর্য মজুদ। তাই এই সাতদিন মানে দুনিয়ার সাত দিন। আর সপ্তম দিনে পুরা আদম জাতির পিতা হযরত আদমকে আ. সৃষ্টি করলেন। এই সাত দিনের হিসাব থেকে চান্দ্র মাসের হিসাব শুরু হয়েছে। এবং এই সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে আয়াত নাযিল করেছেন। ইন্না ইদ্দাতা শুহুরিল্লাহ ইছনা আশারা ইন্দাল্লাহ। মিনহা আশুরে হুরুম।” নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট মাসের গণনা বারোটা। এই বারো মাস বলতে চান্দ্র মাসের কথা বলা হয়েছে। তাই চান্দ্র মাসের হিসাব রাখা ফরজে কিফায়া। সৌর বছরের কথা বলা হয়নি। সৌর বছরতো দুনিয়া যতদিন আছে ততোদিন। মু‘মিন তার সকল কাজ চান্দ্র মাসের হিসাব অনুযায়ী করে। ইসলাম ধর্ম যে সত্য ধর্ম এবং লেটেষ্ট ধর্ম এই মাসও তার একটা দলিল। সৌর বছর (অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে বছর) মৃত কেননা এর কোন পরিবর্তন হয় না। সারা জীবন একই থাকবে। কিন্তু চান্দ্র বছর জীবিত। নরা-চরা করে। কখনো ২৯ দিনে মাস আবার কখনো ৩০ দিনে। আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না কত দিনে মাস হবে। এমনকি এই চান্দ্র মাসের হিসেবেই মু‘মিন তার সমস্ত ইবাদত করে থাকে। আশুরা, শবে-বারা‘আত, শবে-ক্বদর, ঈদ, হজ্জ, কুরবানী সবকিছুই চান্দ্র মাসের হিসাব অনুযায়ী হয়। আরাফাতও সারা বছর পরে আছে কিন্তু এর বিশেষ কোন ফজিলত নাই। যিলহজ্জ মাসের নয় তারিখ এর মূল্য বেড়ে যায়।

আরবী বছর বা চান্দ্র বছরের আরো একটি বড় ফজিলত হলো আল্লাহর মেহেরবানীতে আরবী বছর নিয়ে কেউ নষ্টামি করেনি। ইনশাআল্লাহ কখনো হবে না। আল্লাহ হেফাজত করেছেন। শরীয়তে বর্ষবরণ বলে কোন আমল নেই। বরং গুনাহ, হারাম। অথচ বাংলা বছর বা ইংরেজী বছর নিয়ে অনেক নষ্টামি করে থাকে। জরীপে এসেছে দুনিয়াতে একদিনে সবচেয়ে বেশী মদপান করে থাকে ইংরেজী বছরের শুরুর দিনে। বর্ষবরণ করে, মানুষ হয়ে বাঘ,হরিণের মুখোশ পরে জানোয়ারের রূপ ধারণ করে।

তবে হ্যাঁ মনে রাখতে হবে মুসলমানের বা ইসলামের শত্রু  সর্বস্থরে ছড়িয়ে আছে। ইসলামকে ধ্বংস করাই তাদের একমাত্র কাজ। আর এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য তারা মুসলমানের নাম, লেবাস আকৃতি ধারণকরে করে থাকে। সত্যিকার অর্থে এরা ইয়াহুদ-নাসারাদেরই এজেন্ট। ইয়াহুদ-নাসারাদের টাকায় লালিত-পালিত হচ্ছে। সুতরাং কেউ যদি আরবী বছরের বর্ষবরণের উদ্দেশ্যে ওয়াজ-মাহফিল, কুরআন তিলাওয়াতের মজমা বা অন্য কোন ইবাদত করে তবে তা গুনাহের কাজ হিসেবেই গণ্য হবে। হুজুর ﷺ  নবুওয়্যাত পাওয়ার পর দীর্ঘ তেইশ বছর দুনিয়াতে ছিলেন কিন্তু কখনো বর্ষবরণ উপলক্ষে কোন আমল বা কোন বিশেষ মজমা করেন নি, আল্লাহর রাসূল ﷺ ইন্তেকালের পর সাহাবা রা. একশ বছর দুনিয়াতে ছিলেন কিন্তু তাঁরাও কখনো বর্ষবরণ উপলক্ষে কোন আমল বা কোন বিশেষ মজমা করেন নি। কুরআন হাদীস দ্বারা এর কোন প্রমাণ নেই।

শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর বয়ান থেকে সংগ্রহীত।